হেপাটাইটিস- বি, কি টেস্ট করতে হবে এবং কেন করবো

হেপাটাইটিস
হেপাটাইটিস

হেপাটাইটিস একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে। লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে মল, জন্ডিস (ত্বকের হলুদ), জ্বর এবং চুলকানি। যদি চিকিত্সা না করা হয়, হেপাটাইটিস সি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন সিরোসিস এবং ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

হেপাটাইটিস ভাইরাস দুই ধরনের: হেপাটাইটিস এ এবং বি। উভয়ই দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া দূষিত পানি খাওয়ার কারণেও হেপাটাইটিস ই হয়।

তিন ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস রয়েছে: A, B, এবং C। এগুলি রক্ত সঞ্চালন, যৌন যোগাযোগ, সূঁচ ভাগ করে নেওয়া এবং অন্যান্য অনিরাপদ যৌন অভ্যাসের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে।

হেপাটাইটিস হওয়ার কারনঃ

নিচে হেপাটাইটিস হওয়ার কারন তিনটি কারন শেয়ার করা হলোঃ

  • ভাইরাসের কারণে হেপাটাইটিস হয়ে থাকে।
  • লিভার ড্যামেজের কারণে হেপাটাইটিস হয়ে থাকে।
  • মদ্যপানের কারণে।

প্রাইমারী ডায়াগনস্টিক টেস্টঃ

  • HBsAg
  • Anti-HBs
  • Anti-HBc Total
  • Anti-HBc-IgM

 

হেপাটাইটিস মনিটরিং টেস্টঃ

  • HBrAg
  • Anti-HBe
  • HBV-DNA

HBsAg: এই টেস্ট দিয়ে কি বুঝবো——

  • এটির রিপোর্ট নেগেটিভ মানে রোগীর হেপাটাইটিস বি নেই।
  • যদি রিপোর্ট পজিটিভ হয়,তবে এটিকে ক্রনিক ইনফেকশন হিসেব করা হবে যদি ৬ মাস পরেও এই টেস্টে পজিটিভ আসে।

Anti HBc Total: এই টেস্ট দিয়ে কি বুঝবো——

  • রিপোর্ট নেগেটিভ মানে আগের হেপাটাইটিস বি জনিত ইনফেকশন নেই।
  • যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে,তাহলে রোগী ইনফেক্টেড।

Anti HBsAg: এই টেস্ট দিয়ে কি বুঝবো——

  • রিপোর্ট নেগেটিভ মানে রোগীর শরীরের হেপাটাইটিস বি নিয়ে কোন ইমিউনিটি নেই।
  • রিপোর্ট পজিটিভ মানে রোগীর শরীরে ইমিউনিটি বিল্ড আপ করেছে।
  • তবে ১% মানুষের শরীরে ইনফেকশন থাকা সত্বেও পজিটিভ আসে।

আরো পড়ুনঃ

অন্য বায়োকেমিক্যাল টেস্টঃ

  •  Total and Direct Bilirubin
  •  ALT
  • AST
  • Alkaline Phosphates
  • Prothrombin Time
  • Total Protein
  • Globulin
  • CBC